পৃষ্ঠাসমূহ

এডলফ হিটলার কুখ্যাত না বিখ্যাত?

এডলফ হিটলার কুখ্যাত না বিখ্যাত ছিলেন সেটা বলা সহজ নয়। আবার কঠিন ও নয়। অনেক ইহুদী হত্যা করায় হিটলার কে অনেকেই সন্ত্রাসী বলে আখ্যা দেন। কিন্তু আপনারা কি জানেন? আমরা আজকের এই বাংলাদেশ এ যে আছি তা পেতে হিটলার এর ও পরোক্ষ সহায়তা রয়েছে? হিটলার আসার আগে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য ছিল পৃথিবীর সবচাইতে বড় সাম্রাজ্য। আর ঐ সময় ব্রিটিশ কলোনী ছিলো ভারতীয় উপমহাদেশে। ২য় বিশবযুদ্ধের পর ব্রিটিশ সরকার ভালোই নাস্তানাবুদ হয়ে পরে কারন হিটলারের বুদ্ধিতে জার্মানি যুদ্ধে ব্রিটিশদের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয় যদি ও জার্মানি পরাজিত হয়। আমরা মানে এই উপমহাদেশ তাদের অধীনে ছিলাম। বিশ্বযুদ্ধ এর পরে ব্রিটিশ দের পক্ষে এই উপমহাদেশ চালানোর মত ক্ষমতা আর লোকবল কোনটাই ছিলনা। তাই তারা ক্ষমতা হস্তান্তর করে দিয়ে চলে যায় আর ভারতীয় উপমহাদেশ কে ভাগ করে দেয়া হয় ১৯৪৭ সালে। জন্ম হয় ভারত, পূর্ব পাকিস্তান আর, পশ্চিম পাকিস্তান ের। তাই খুব সহজেই বোঝা যায়, হিটলার না থাকলে আমরআরো অনেক বছরও ব্রিটিশ শাসনে থাকতাম, আর ১৯৭১ সালে হওয়া যুদ্ধ হয় আমাদের ব্রিটিশ দের সাথেই করতে হতো তখন। তাই হিটলার কে ধন্যবাদ দিলে জাত যাবে না আমাদের।

তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি একটু বিদ্রোহী ছিলেন। যখন ভাইমার প্রজাতন্ত্রে নাৎসি বাহিনী তে যোগ দেন তার কিছুদিন পরে তিনি অভ্যুত্থান করতে গিয়ে ব্যর্থ হন। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মোহনীয় বক্তৃতার মাধ্যমে জাতীয়তাবাদ, ইহুদি বিদ্বেষ ও সমাজতন্ত্র বিরোধিতা ছড়াতে থাকেন। এভাবেই এক সময় জনপ্রিয় নেতায় পরিণত হন। নাৎসিরা তাদের বিরোধী পক্ষের অনেককেই হত্যা করেছিল, রাষ্ট্রের অর্থনীতিকে ঢেলে সাজিয়েছিল, সামরিক বাহিনীকে নতুন নতুন সব অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করেছিল এবং সর্বোপরি একটি সমগ্রতাবাদী ও ফ্যাসিবাদী একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল। হিটলার এমন একটি বৈদেশিক নীতি গ্রহণ করেন যাতে সকল "লেবেনস্রাউম" (জীবন্ত অঞ্চল) দখল করে নেয়ার কথা বলা হয়। ১৯৩৯ সালে জার্মানরা পোল্যান্ড অধিকার করে এবং ফলশ্রুতিতে ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

যুদ্ধের অক্ষ শক্তি তথা জার্মান নেতৃত্বাধীন শক্তি মহাদেশীয় ইউরোপ এবং আফ্রিকা ও এশিয়ার বেশ কিছু অঞ্চল দখল করে নিয়েছিল। কিন্তু অবশেষে মিত্র শক্তি বিজয় লাভ করে। ১৯৪৫ সালের মধ্যে জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। হিটলারের রাজ্য জয় ও বর্ণবাদী আগ্রাসনের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রাণ হারাতে হয়। ৬০ লক্ষ ইহুদিকে পরিকল্পনামাফিক হত্যা করা হয়। ইহুদি নিধনের এই ঘটনা ইতিহাসে হলোকস্ট নামে পরিচিত। হিটলারের লেখা গ্রন্থ হল "মেইন কামফ"।

হিটলার আমার চোখে বিখ্যাত। ছিলো, আছে, থাকবে। কারন তার কিছু কাজ এখনো প্রমান করে তিনি সঠিক ছিলেন।  হিটলার আত্মহত্যা করেন নি। এই ব্যাপার টি সঠিক যে তিনি আত্মহত্যা করেননি। হিটলার গিয়েছিলেন বাবা ভাঙ্গা এর কাছে। যিনি সে সময়কার অনেক নামী-দামী ভবিষ্যৎ বক্তা ছিলেন। যিনি ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারতেন অন্ধ হওয়া সত্ত্বে ও এবং তার কথা অক্ষরে অক্ষরে মিলে ও যেতো। ভাঙ্গা এর কাছে ভবিষৎবাণী তিনি আগেই শুনেছিলেন।এবং ভাঙ্গা এর সাথে দেখা করে বের হবার পরে অনেকএই জানিয়েছিলেন যে হিটলার বিচলিত ছিলেন। তাকে দেখতে অস্বাভাবিক লাগছিল। অর্থাৎ ভাঙ্গা তাকে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তার ভবিষ্যৎ পরিনতি। আর তাই তিনি কৌশলে আত্মহত্যার খবর রটিয়ে তিনি আর্জেন্টিনা তে পালিয়ে যান আর সেখানে স্বাভাবিক মৃত্যু হয় তার। জার্মানি এখন যাই বলুক না কেনো, হিটলার সে সময় না থাকলে আজকের জার্মানি কে কেউ পাত্তাই দিতো না।

বাকি অংশ পড়ুন এখানে - Adolf Hitler - সম্পর্কে কিছু জানা-অজানা তথ্য


Mahabubur Rahaman

Mahabubur Rahaman Arman is a Bangladeshi ICT Entrepreneur and Professional Internet Entrepreneur through e-Commerce and f-Commerce, e-Commerce Consultant, T-shirt Brand Consultant, Marketing Consultant, Ideapreneur, Volunteer, recently started working with electronic products and He is also a professional Graphic Designer alongside all of these He is the co-founder and CEO of T-ZONE (www.tzonebd.com).

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন