পৃষ্ঠাসমূহ

বনানীর ২ শিক্ষার্থী ধর্ষণ - মামলার ভবিষ্যৎ

শিরোনাম - আমি এখন একটি অংক কষবো। বরাবরি আমি অংকে কাঁচা, তাই আমার কোনো ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আশা রাখছি। 

বিস্তারিত - বনানীর ২ শিক্ষার্থী ধর্ষণ এর মামলা। দিনে দিনে ঘনীভূত হচ্ছে। প্রথমেই আমি এখানে কিছু ব্যাপার উল্লেখ করতে চাই যা কিনা আমি কখনো করবো বলে ভাবিনি। বনানী থানার পুলিশ প্রশ্নবিদ্ধ। এ বিষয়ে আমার প্রথম লিখায় আমি পুলিশ বায়াসড হতে পারে না বলে আমি স্টেটমেন্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু আজ বলতে হচ্ছে, সমগ্র পুলিশ নয় বনানী থানার কিছু পুলিশ অবশ্যি বায়াসড ছিল। আর্থিক ব্যাপার টা হলফ করে বলতে না পারলেও বায়াসড তা বুঝা যাচ্ছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বা বাংলাদেশ পুলিশের উপর আমাদের এখনো যথেষ্ট আস্থা আছে কিন্তু গুটী কয়েক এমন লোকেদের কারনে পুরো পুলিশের দিকে আমি আঙ্গুল তুলতে নারাজ। 

আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে, বনানী থানার অফিসার ইনচারজ জানতে পারলাম ৫ দিনের ছুটি তে গেছেন। প্রশ্ন আসে মনে, নিজের এলাকায় এমন একটি লোমহর্ষক মামলা আর ঘটনা আর ঝাঝালো মিডিয়া কে এড়িয়ে কিভাবে তিনি ৫ দিনের ছুটি তে যান? আর কেনোইবা কেস ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার এর কাছে হস্তান্তর করা হলো? কি হয়েছিল? যে থানা কে না দিয়ে মামলার তদন্তভার দেয়া হলো ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টার কে। যেখানে ৩ দিন আগে বনানী থানার পুলিশের সাথে নাঈম আর সাফাত এর সেলফি দেখা গেছে থানাতেই :) 

এই কাহিনী গেলো । এখনো আসি আসামী খোজাখুজি কাহিনী তে। ২ টা মেয়ে থানায় গেছে মামলা করতে আসামী অনেক ধনী পরিবার থেকে এসেছে। তা আগেই আসামী কে থানা থেকে কল করে জানায় দেয়া হলো। তারপর ২ দিন লাগলো মামলা হতে, আপনাদের কি আসামী দের এতো টাই বলদ মনে হয়? যারা শর্ট গান বহনকারী বডিগারড নিয়ে ঘুরে, তাদের কি এক রাতে পরদেশি হবার পয়সা নাই? তাদের জন্য ইউরোপ, আমেরিকা আর এশিয়া প্যাসিফিক এর ভিসা পাওয়া তো এতো কঠিন কিছু না? এই কমন সেন্স টা কি নাই আপনাদের যারা তদন্ত কাজ করতে তার বাসায় লোক দেখানো ভিজিটে গেলেন? 

পরের টপিকে আসি, আসামী দের পাসপোর্ট পেলেন না। স্বাভাবিক। তাই কি বসে থাকবেন? ইমিগ্রেশনে নাম টা দিয়ে কি একটু খুজে দেখতে পারতেন না? আসামীদের পাসপোর্ট না পান। তার বাবা-মা এর পাসপোর্ট, স্মার্ট কার্ড এর রেফারেন্স এ জাতীয় তথ্য ভান্ডার থেকে চাইলেই কিন্তু তাদের পাসপোর্ট এর যাবতীয় তথ্য বের করা সম্ভব। এর জন্য আসলে বেশি কিছু দরকার নেই দরকার শুধু ইচ্ছে। কী ওয়ার্ড হিসেবে, বাবা-মা এর নাম আর বাসার ঠিকানা দিলেই কিন্তু বের হয়ে যাবার কথা :) আসল কথা, "'সকল কর্মই নিয়তের উপরে নিরভরশীল, - হাদীস নং - ১ (সহীহ বুখারী)"। 

আমি বললাম, ৭২ ঘন্টাতে ও এই আসামী গুলা এরেস্ট হবে না, কারন তারা দেশে নেই। আন্তর্জাতিক ভাবে ভারতের নিরভয়া এর মতন আমাদের ফেটে পড়তে হবে। আর তাদের টেনে হেচড়ে নিয়ে আসতে হবে আমাদের বাংলাদেশে। আন্দোলন করতে হবে দেশব্যাপী। সামাজিক গনমাধ্যমে ও উঠতে হবে গন জোয়ার। 

কিন্তু, আন্দোলন করলেন, খুজে পেলে, রিমান্ড এ নিলেন, পেটালেন, জেলে দিলেন। তা তাদের শাস্তি প্রমান হবে তো? তাদের শাস্তি দিতে পারবো তো? 

এই মামলার তদন্তের সাথে রিলেটেড প্রত্যেক তদন্ত অফিসার (পুলিশ), ডাক্তার থেকে শুরু করে সবার ব্যাংক এর গত ২০ দিনের তথ্য এর সাথে আগামী তদন্ত শেষ না হওয়া নাগাদ ব্যাংকিং এর তথ্য জমা দেয়া উচিত তাদের আশেপাশের আত্মীয়দের ব্যাংক একাউন্ট ডিটেইলস সহ। পাশাপাশি দুদক কে ও এই ব্যাপারে অবহিত করা উচিত যদি তাদের বাসায় তাদের আয়ের অতিরিক্ত অর্থ পাওয়া যায় তাহলে তার খাত কি আর তা ট্যাক্স যোগ্য আয় কিনা তা খতিয়ে দেখতে। 

 আর সাংবাদিক ভাই এবং বোনেরা, ভিক্টীম দের একটু শান্তি দিন আপনারা। এভাবে তাদের বাসার সামনে আর কতো দাঁড়িয়ে থেকে তাদের পরিবার কে মরনের দিকে ঠেলবেন?

Mahabubur Rahaman

Mahabubur Rahaman Arman is a Bangladeshi ICT Entrepreneur and Professional Internet Entrepreneur through e-Commerce and f-Commerce, e-Commerce Consultant, T-shirt Brand Consultant, Marketing Consultant, Ideapreneur, Volunteer, recently started working with electronic products and He is also a professional Graphic Designer alongside all of these He is the co-founder and CEO of T-ZONE (www.tzonebd.com).

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন